রাজাপুরে নদীর পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চল ডুবে আরেক নদীর রুপ ধারন!

প্রকাশিত: আগস্ট ২১, ২০২০

আবু নাঈম ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ আমাবস্যার প্রভাবে নদ নদীতে পানি বৃদ্ধি। তার মধ্যে আবার ভারিবৃষ্টি যার প্রভাবে ঝালকাঠির রাজাপুরের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত। এর কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে। উপজেলার পূর্ব প্রান্তে বিষখালী নদী, দক্ষিনে পোনা নদী, পশ্চিমে কচা নদী। যার কারনে নদীতে স্বাবাভিকের চেয়ে কিছুটা পানি বৃদ্ধি পেলেই তলিয়ে যায় নদীর কিনারে বসবাসরত সকল ঘর বাড়ি। বর্তমানে আমাবস্যার প্রভাবে ও গত ২/৩ দিন যাবত ভারিবর্ষনের ফলে স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় ৫ থেকে ৬ ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারিবর্ষনে পানির জলাবদ্ধতা উপজেলার সর্বত্র নিম্নাঞ্চল এলাকা প্লাবিত। এ ছাড়া বিষখালী, পোনা নদী, কচানদীর তীরবর্তী অঞ্চলের বাগানবাড়ি কাচারাস্তা, পুকুর, মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে। পানি ঢুকে পড়েছে রাজাপুর সদর, বড়ইয়া, সাতুরিয়া, মঠবাড়ি, গালুয়া ও শুক্তাগড় ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী সহ শহরের বাগান বাড়িতে ও রাস্তাঘাটে। বসতঘরে পানি প্রবেশ করায় দুর্বিষহ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। বড়ইয়া ইউপি চেয়্যারম্যান শাহ আলম মন্টু বলেন- এ এলাকায় ৯ টি গ্রামের ফসলের ক্ষেত, মাছের ঘের, পথঘাট, বাগানবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে, স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায ৫/৬ ফুট পানি বৃ্িদ্ধ পেয়েছে। মঠবাড়ি ইউপি চেয়্যারম্যান মোস্তফা কামাল সিকদার বলেন- মঠবাড়ি, মানকি, সুন্দর, পুখরীজানা, নাপিতের হাট এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বাড়ি ঘরে পানি ঢুকেছে। মাছের পুকুর তলিয়ে গেছে। লোকজন পানির কারনে বেরহতে পারছে না। উল্লেখ্য বর্তমানে উপজেলার সর্বত্র এলাকায় আমন মৌসুমের চাষা চলছে। বীজতলা ডুবে যাওয়ায় চিন্তায় পড়েছে কৃষকরা।


এ ব্যাপারে রাজাপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ বলেন জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোন নির্দেশনা পাইনি, ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তার মোবাইল নং ০১৭১৭৬৯৬৬১৬ নাম্বাে বহুবার রিং করেও তাকে পাওয়া যায়নি।