সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগ কাউন্সিলেরের বিরুদ্ধে!

প্রকাশিত: জুলাই ৩১, ২০২০

মিরর ডেস্কঃ এবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১২ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মুরাদ হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সিটি কর্পোরেশন থেকে গরীব-অসহায়ের জন্য দেয়া বরাদ্দের চাল বিতরণ না করে বিক্রি কিরছন কাউন্সিল মুরাদ। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ১২ ওয়ার্ড কাউন্সিলরের অফিসের পাশেই রয়েছে নিজস্ব গোডাউন। কুরবানির ঈদের একদিন আগেও সেই গোটাউনে সংরক্ষিত রয়েছে ৫টন চাল। অথচ, এই ত্রাণের চাল কাউন্সিলরকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে। দুই মাস অতিবাহিত হবার পরও চাল বিতরণ না করে, সংরক্ষণ করে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি কাউন্সিল মুরাদ। উল্টো বিতরণ করতে দেরি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে দ্রুত বিতরণে আশ্বাস দেন। এদিকে মুরাদ হোসেনের বাড়ির ত্রাণের আশায় ভীড় করছেন অসহায় মানুষ। তাদের অভিযোগ, ভুয়া তালিকা করে বিতরণ দেখিয়ে কাউন্সিলর নিজেই চাল আত্মসাত করেছেন। তালিকায় নিজেদের মতো নাম লিখে সবগুলো নামের পাশে একই ব্যক্তির স্বাক্ষর থাকার অভিযোগ করেন কেউ কেউ। তালিকাটি দেখতে চাই, তালবাহানা শুরু করেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুরাদ। তিনি বলেন, তালিকাটি স্বাক্ষর করাতে সংরক্ষিত কাউন্সিলরের কাছে পাঠানো হয়েছে। জানতে চাইলে ১২, ১৩ ও ১৪ সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর শামসুন্নাহার লাভলী বলেন, পুরো তালিকায় ভুয়া নাম এবং স্বাক্ষর বসিয়ে জালিয়াতি করেছেন ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুরাদ হোসেন। একারনেই এই তালিকায় স্বাক্ষর করবেন না তিনি। তালিকা তৈরির সময় সংরক্ষিত কাউন্সিলর হিসেবে, তার মতামত নেয়ার কথা থাকলেও মুরাদ হোসেন সেটি করেননি। জুনের বরাদ্দ বিতরণ না করে নিজস্ব গোডাউনে রেখে দেয়াকেও আত্মসাৎ হিসেবে দেখছেন সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামসুন্নাহার লাভলী।

!