পাংশার পিঁয়াজ নিয়ে উধাও চালক গাইবান্ধায় আটক

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২০

উধাও হওয়ার পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের সরিষা বাজার থেকে ৩ ব্যবসায়ীর ১১ মে.টন দেশী পিঁয়াজ নিয়ে গোয়ালন্দ থেকে কাভার্ড ভ্যান চালক  হুমায়ন ও নাইম ওরফে বাদশা । গাইবান্ধা সদর থানা আটক হয়, চালক হুমায়ন ও নাইম ওরফে বাদশা । পুলিশ আটক হওয়া কাভার্ড ভ্যানের নং- ঢাকা মেট্রো-ড-১২-১০৯৩। রাজবাড়ির পাংশা উধাও হওয়ার কাভার্ড ভ্যানের নং- ঢাকা মেট্রো-ড-১২-১২২০।

চালক পুলিশের ও জনতার উপস্থিতে বলেন, এই গাড়ী পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের সরিষা বাজারের, চালক আরো শিকার করেন এই গাড়ী নেইম-প্লেট পরিবর্তন করা হইছে।

জানা যায়, ৪ জন মিলে চালক হুমায়ন সাথে যোগাযোগ করা হয়। রমজান, মিনুছ, সাবু ড্রাইভার-, বিপুল  ড্রাইভারের মাধ্যমে ঢাকা চালক হুমায়ন ও নাইম ওরফে বাদশা সাথে যোগাযোগ করে গাড়ি ভাড়া করা হয় ।

পিঁয়াজ ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম জানান, গত ২১ এপ্রিল গাড়ি সরবরাহকারী মনিরুল ইসলামের মাধ্যমে আমরা একটি গাড়ি ভাড়া করে ১৫২ বস্তা পিঁয়াজ ঢাকার আড়তে পাঠায়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। গোয়ালন্দ পর্যন্ত চালকের সাথে যোগাযোগ হয় তারপর আর ঐ চালকের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে আড়তদারের সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারি ঐ পিঁয়াজ আড়তে পৌঁছায়নি। তখন থেকেই আমরা চালকের সন্ধান করতে থাকি।

গাড়ি সরবরাহকারী মনিরুল ইসলাম বলেন। সর্বশেষ আমি সরিষা ইউনিয়নের আন্দুলিয়া গ্রামের ফিরোজ এর ছেলে বিপুল ড্রাইভারের মাধ্যমে ঐ গাড়ি ভাড়া করি। গাড়ির ড্রাইভার ঢাকার হুমায়ন ও নাইম ওরফে বাদশা। আমি তাৎক্ষণিক ঐ গাড়ির চালককে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় খুঁজে না পেয়ে মিরপুর বিআরটিএ অফিস থেকে গাড়ির প্রকৃত মালিকের নাম ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করি। সংগ্রহকৃত নাম্বারে ফোন দিলে তারা পরিচয় গোপন করে এবং তাৎক্ষণিক ফোন কেটে দেয়। এ বিষয়ে আমি প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।