নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর দাবি

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৬, ২০২১

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন ও ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ (ইনসাব)। শনিবার (১৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংগঠন ২টি আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, করোনায় বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫০ লাখের মতো মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও শিল্প কারখানায় উৎপাদন হ্রাস, ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা, কর্মহীনতা, বেকারত্ব-শিক্ষা, চিকিৎসাসহ সামাজিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি মানবজাতি।

দেশে ইতোমধ্যে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ২৭ হাজার ছাড়িয়েছে। নতুন করে বেকারের তালিকায় যুক্ত হয়েছে প্রায় আড়াই কোটির বেশি মানুষ। দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমেছেন ১ কোটির বেশি জনগণ। রেমিটেন্সের গতিও কমে আসছে।

বক্তারা বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেশে এমন পরিস্থিতিতে বেড়েই চলছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম। অব্যাহত এমন মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবনে অন্ধকার নেমে আসছে। দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়া থামানোর মতো কোনো উদ্যোগ না থাকায় দেশবাসীর সঙ্গে আমরা গভীর উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ।

তারা আরও বলেন, দেশে নিম্ন আয়ের মানুষ প্রতিনিয়ত পরিবার-পরিজন নিয়ে অস্থিরতা ও বিপর্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাড়তি দাম, করোনার বিপর্যয়ের পাশাপাশি ডেঙ্গুর আতঙ্ক দেশবাসীকে আরও উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবার বেহাল অবস্থা মানবজীবনকে বিপন্ন করে তুলছে। অন্যদিকে এলপি গ্যাসের মূল্য দফায় দফায় বাড়ায় মরার উপর খাড়ার ঘা যুক্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তারা।

দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, আমরা অবিলম্বে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, চিনি, আটা-ময়দাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম কমানোর দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সেবা খাতসহ সব ক্ষেত্রের দ্রুত উন্নয়নের জোর দাবি জানাই। একইসঙ্গে দেশে ও বিদেশ ফেরত বেকার শ্রমজীবী মানুষদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান ও রেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং গ্যাসের দাম কমানোর দাবি জানাচ্ছি।

মানববন্ধনে ইনসাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাকসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।