সাবেক এমপি মঞ্জুসহ বিএনপির ৩১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১

খুলনা সদর থানায় নাশকতার মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুসহ ৩১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেছেন আদালত। বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) খুলনা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ গঠন হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মজিবর রহমান ও আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম মওলা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপি নেতা জামাল হাওলাদার, আজিজুল করিম, মো. আলী, আবুল হক (শুভ), জাহান আলী, মুজিবুর রহমান, হাবিবুর রহমান, হেলাল শেখ, মিরাজ হাওলাদার, ইসমাইল হোসেন, এমএ সালাম, কালাম হোসেন, আরিফ হোসেন, বাবুল হাওলাদারসহ ৩১ জন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মজিবর রহমান জানান, একাদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অরাজকতা সৃষ্টির পরিকল্পনা ও শহীদ হাদিস পার্কে যুক্তফ্রন্টের জনসভায় আগত নেতাকর্মীর গাড়িতে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে এই মামলা করা হয়। একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর খুলনা সদর থানায় ওই নাশকতার মামলা করা হয়। ওই মামলার বাদী খুলনা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) টিপু সুলতান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এসআই গোপিনাথ সরকার। ২০১৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছিলেন।

খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ২০১৮ সালে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে ঢাকা থেকে আবু হাসনাত ও খলিলুর রহমান নামে দুই বিএনপি নেতা খুলনায় আসেন প্রার্থীদের সম্পর্কে তথ্য নিতে। জেলিকো হোটেলে অবস্থান করে তারা তথ্য নিচ্ছিলেন। ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে তাদের সেখান থেকে আটক করে চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগ তুলে সদর থানায় মামলা করা হয়। মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন ওই দুজন। আর অজ্ঞাত আসামি ছিল বেশ কয়েকজন। পরবর্তীতে নির্বাচনের সময় বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতাকে আটক করে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। আর অভিযোগপত্র দেওয়ার সময় তার (নজরুল ইসলাম) নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম মওলা জানান, এটি বিশেষ ক্ষমতা আইনে সাজানো একটি মামলা। এ মামলার বিশেষ কোনো উপাদান নেই। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণে আদালতে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হবে। আসামিরা সবাই এ মামলা থেকে খালাস পাবেন।