২০০ কর্মহীন পরিবহনশ্রমিককে অর্থসহায়তা দিলেন কাদের মির্জা

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২১

সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া ২০০ পরিবহনশ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে নগদ অর্থসহায়তা দিলেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

রোববার (২৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বসুরহাট পৌরসভা কার্যালয়ে শ্রমিকদের পক্ষে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইস্কান্দার হায়দার চৌধুরী বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইউনুছের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি।

এ সময় আবদুল কাদের মির্জা বলেন, সারাদেশে করোনাভাইরাস বেড়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন চলছে। তাই পরিবহনশ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। সে জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ২০০ পরিবহনশ্রমিকদের আর্থিক সহায়তা দিয়েছি। লকডাউন জনিত কারণে বাস, সিএনজি শ্রমিক ও দিনমজুর নেতাদের মাধ্যমে শ্রমিকদের মাঝে বণ্টনের জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেছি।

তিনি আরও বলেন, কোম্পানীগঞ্জে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে। আমি আবারও বলছি, এই কোম্পানীগঞ্জে কোনো রোগী চিকিৎসার অভাবে মারা যাবে না এবং কোনো অসহায় খেটে খাওয়া ব্যক্তি না খেয়ে থাকবে না। সবার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেব। এরপরও যেন কেউ অবহেলিত না হয়। আমরা এখন যে কঠিন সময় পার করছি, তা থেকে আল্লাহ যেন আমাদের দ্রুত মুক্তি দেন।

সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাদের মির্জা বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সবাইকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সাবান দিয়ে ঘন ঘন হাত ধুতে হবে। নিজেকে, পরিবারকে এবং সমাজকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত মাস্ক পরার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় উপজেলা শ্রমিক লীগের সহসম্পাদক জাকির হোসেন ওয়াসিম, শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. বাহার, শ্রমিকনেতা রিপন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। পৌরসভায় তৃতীয় মেয়াদে গত ডিসেম্বরে নির্বাচনের আগে বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলে আলোচনায় আসেন তিনি।

স্থানীয় রাজনীতির বিভিন্ন ইস্যুতে দলীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার বিরোধের ঘটনায় দুটি সংঘর্ষে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় একাধিক মামলাও হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ৩১ মার্চ দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন কাদের মির্জা। পদত্যাগের ৪৫ দিনের মাথায় ১৬ মে তিনি ফের দলে ফিরে আসেন।