শেরপুরে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে ইমার্জেন্সি অক্সিজেন টিম

প্রকাশিত: জুলাই ১৭, ২০২১

শেরপুরে ২৪ ঘণ্টা কাজ করে প্রশংসা কুড়িয়েছে ইমার্জেন্সি অক্সিজেন টিম নামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সংগঠনটি শ্বাসকষ্ট ও করোনা রোগীদের জরুরি মুহূর্তে বিনামূল্যে অক্সিজেন সরবরাহ করছে। 

সংগঠনটির ফেসবুক পেজ থেকে জানা গেছে, সাধারণ শ্বাসকষ্ট বা করোনা রোগী যারা হোম আইসোলেশনে আছেন তারা জরুরি মুহূর্তে বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা পেতে সংগঠনটিরনির্ধারিত হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। শুধু তাই নয়, যাদের করোনা উপসর্গ রয়েছে তারাও অক্সিমিটার দিয়ে অক্সিজেনের পালস নিরুপণ করতে পারবেন বিনামূল্যে। সংগঠনটির হটলাইন নম্বরে কল দিলে জরুরি সেবা নিয়ে তারা রোগীর দুয়ারে পৌঁছে যাবে।

শেরপুর ইমার্জেন্সি অক্সিজেন ব্যাংক সংগঠনের সমন্বয়ক এস এম জুবায়ের  বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে সাতটি অক্সিজেন সিলিন্ডার, ২০০ অক্সিজেন মাস্ক ও ৮০টি অক্সিমিটার নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি। গত ১৩ জুলাই থেকে আমাদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত আমরা ১৭ জন শ্বাসকষ্ট ও করোনা আক্রান্ত রোগীকে সেবা দিয়েছি।

তিনি আরও জানান, আমরা ফান্ড সংগ্রহের দিকে বেশি নজর দিচ্ছি। যেন আমরা ইমার্জেন্সি অক্সিজেন সেবাটা আরও বড় পরিসরে দিতে পারি। আমাদের সংগঠনকে শেরপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন ১ লাখ টাকা, জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক দেড় লাখ টাকা এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ ৮০টি অক্সিমিটার দিয়েছেন।

ফ্রি অক্সিজেন সার্ভিস শেরপুর সংগঠনটির সমন্বয়ক আল আমিন রাজু বলেন, আমরা চাই শেরপুর পৌরবাসী যেন জরুরি মুহূর্তে দ্রুত অক্সিজেন সেবা পায়। সেই লক্ষ্য মাথায় রেখে আমাদের সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে। আমরা ১২ জুলাই থেকে শেরপুরে ২৪ ঘণ্টা ফ্রি অক্সিজেন সেবা দিয়ে যাচ্ছি।

এ বিষয়ে নাগরিক সংগঠন জনউদ্যোগের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ  বলেন, আমরা শেরপুর জেলাবাসী অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত। শেরপুরে তরুণ ও যুবকেরা মিলে এরকম সাহসী উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। আমরা সুশীল সমাজ তাদের পাশে আছি।

শেরপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন  জানান, করোনা মহামারির এই সময়ে শেরপুর জেলাবাসীর জন্য জরুরি অক্সিজেন সেবা খুবই প্রয়োজন ছিল। এ সংগঠনের মাধ্যমে করোনা আক্রান্ত রোগীরা বাসায় বসে জরুরি অক্সিজেন সেবা নিতে পারবে। শেরপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে অক্সিজেন ব্যাংকের জন্য ১ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা করেছি।