ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোতে ৭ গ্রামের মানুষের যাতায়াত

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২১

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সাতটি গ্রামের মানুষের উপজেলাশহরে যোগাযোগের একমাত্র সড়ক হয়ে উঠেছে পংবাইজোড়া-দেইল্লা সড়কটি। এই সড়ক দিয়ে পংবাইজোড়া, লাড়গ্রাম, দেইল্লা, স্বল্প লাড়গ্রাম, নিউ চৌহলী পাড়া, পংবড়টিয়া ও ঘূর্ণি গ্রামের শত শত মানুষ প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের লাড়গ্রামের ওপর দিয়ে ২০ বছর আগে ধলেশ্বরী নদী বহমান ছিল। পরে নদী গতিপথ পরিবর্তন করে পূর্বদিকে সরে গেছে। আর এখানে রেখে গেছে সরু খালের মতো শাখা নদী। নদীর পাশে জেগে ওঠা চরে ধীরে ধীরে মানুষ বসতি গাড়তে শুরু করে।

পংবাইজোড়া-দেইল্লা সড়কের মধ্যে সেই সরু খাল থাকায় মানুষের যাতায়াতে অসুবিধায় পড়তে হয়। তিন বছর আগে স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে ওই খালের ওপর একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে। পরে ওই সাঁকোটি হযে ওঠে ওই সাত গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা। তবে এখন বাঁশ পচে সাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

সাঁকোটি বর্ষা মৌসুমে অথবা পণ্য পরিবহনে ব্যবহার করা যায় না। তখন নৌকাযোগে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। কৃষিপণ্য পারাপার করতে হয় নৌকায় করে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রিয়াজ উদ্দিন খান রাজা বলেন, ‘তিন বছর আগে স্থানীয়ভাবে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করি। এখন ঝুঁকিপূর্ণ সেই সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মোকনা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান খান বলেন, ওই খালের ওপর সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে একাধিকবাব প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কার্যালয় থেকেও ১৫০ ফুট সেতুর পরিমাপ করা হলেও কোনো কাজ হচ্ছে না। পংবাইজোড়া-দেইল্লা সড়কে জরুরি ভিত্তিতে সেতু নির্মাণ এখন সময়ের দাবি বলে মনে করেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান খান।