১২ জুলাই থেকে চট্টগ্রামে বসছে দুই শতাধিক গরুর হাট

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২১

অব্যাহত করোনা সংক্রমণ ও চলমান লকডাউনের মধ্যেই আগামি ১২ জুলাই থেকে গরুর হাট বসতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগরী এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলায়।

চট্টগ্রাম নগরীতে ১০টি এবং উপজেলা পর্যায়ে ছোট বড় দুই শতাধিক গরুর হাটে কোরবানির পশু বেচা-কেনা শুরু হবে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ১২ জুলাই থেকে ইজারা প্রাপ্তদের পশুর হাটের অনুমতি দিলেও ১৪ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন থাকায় এই তারিখ থেকে হাট চালু হবে কি-না এ নিয়েও শঙ্কা রয়েছে ইজারাদারদের। এছাড়া ১৪ জুলাইর পর আবার যদি লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয় তাহলে এবারের কোরবানিতে আর পশুর হাটই জমবে না। এ নিয়ে শঙ্কা-আশঙ্কায় সময় পার করছে পশু বেপারি এবং পশুর হাটের ইজারাদারগণ।

চট্টগ্রাম সিটি করপোশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, সিটি করপোরেশন অনুমোদিত বড় তিনটি পশুর হাট বসে চট্টগ্রাম মহানগরীতে। এগুলো হলো সাগরিকা গরুর বাজার, বিবির হাট গরুর বাজার এবং পোস্তার পাড় ছাগলের বাজার। এছাড়া কোরবানি উপলক্ষ্যে আরও ৭টি অস্থায়ী গরুর হাটের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এসব বাজারে ১২ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত হাট বসানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে যেহেতু লকডাউন চলছে তাই সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপরই সবকিছু নির্ভর করছে।

চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় গরুর হাট সাগরিকা গরুর বাজারের ইজারাদার আবুল কালাম আজাদ জানান, এবার ১১কোটি টাকা দিয়ে সাগরিকা গরুর বাজার ইজারা নিয়েছেন তারা। কিন্তু কবে থেকে হাট শুরু হবে এই নিয়ে শঙ্কা রয়ে গেছে। ১২ জুলাই থেকে হাট শুরু হলে ১০ দিন সময় পাওয়া যেতো। কিন্তু ১৪ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন। এতে হাটের সময় আরও দুই দিন কমে আসছে। এছাড়া ১৪ জুলাইর পর যদি আবার লকডাউন বাড়ানো হয় তবে বিপুল অংকের টাকা লোকসান দিয়ে পথে বসা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রেয়াজুল হক জানান, লকডাউন এবং করোনা সংক্রমণের কারণে অনলাইনে এবং বিভিন্ন খামার থেকেই কোরবানির পশু কিনতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। হাট ছাড়াই খাবার থেকে বিপুল পরিমাণ গরু বিক্রি হচ্ছে। এতে কোরবানির প্রায় ৬০% ই হাটের বাইরে বিক্রি হয়ে যাবে। ৪০% মতো হাটে বিক্রি হবার সম্ভাবনা আছে। এতে হাটে লোক সমাগম কম হবে। এছাড়া হাটে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোরবানির হাট পরিচালনার জন্য হাটের ইজারাদারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।