সড়কে ভোগান্তি, নৌপথে স্বস্তি

প্রকাশিত: জুন ৩০, ২০২১

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (০১ জুলাই) থেকে সারাদেশে সর্বাত্মক লকাডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এ কারণে রাজধানী ঢাকা ছেড়ে আসছে ঘরমুখী মানুষ। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার এলাকায় এসব মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। তবে সড়ক পথে ভোগান্তি হলেও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে স্বস্তিতেই পারাপার হচ্ছে ঢাকা থেকে আসা এসব মানুষ।

এ দিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সড়ক পথে চরম ভোগান্তি নিয়েই বাড়ি যাচ্ছেন যাত্রীরা। ছোট ছোট বিভিন্ন যানবাহনে বাড়তি ভাড়া দিয়ে যাত্রীরা পাটুরিয়া ফেরিঘাটের দিকে যাচ্ছেন। সরকার আগামী এক সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউন দিলেও এর সময়সীমা বাড়তে পারে বলে ধারণা করেছেন ঘরমুখী অনেকেই। এতে ঈদুল আজহার (কুরবানির ঈদ) আগে এই কঠোর লকডাউনে পরিবার ও স্বজনদের নিয়ে গ্রামের বাড়ি ফেরা সম্ভব নাও হতে পারে। তাই পাটুরিয়া ঘাট পার হয়ে বাড়ি যাচ্ছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষ।

বুধবার (৩০ জুন) দুপুরে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ভাড়ায় মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যানে করে ঢাকা থেকে আসা ঘরমুখী যাত্রীদের পাটুরিয়া ফেরিঘাটের যেতে দেখা গেছে। বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে হাকডাকে যাত্রী তুলতে দেখা গেছে বেশ কয়েকজন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকদের। দেড় থেকে দুইশত টাকা ভাড়া হলেই দুইজন যাত্রী নিয়ে এসব মোটরসাইকেল চালক যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছেন পাটুরিয়া ফেরিঘাটে। আবার অনেক যাত্রী অটোরিকশা ও ভ্যানে করে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

পাটুরিয়া ঘাট সূত্রে জানা যায়, দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। বিভিন্ন জেলায় লকডাউন চললেও সংক্রমণ ও মৃত্যুহার বাড়ছেই। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার সারাদেশে সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে। এর আগে গত সোমবার থেকে সারাদেশে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে এই কঠোর লকডাউন কার্যকর হবে। এ কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১ জেলার মানুষ বাড়ি যেতে শুরু করেছে। এতে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় সকালের দিকে যাত্রীদের কিছুটা চাপ থাকলেও দুপুরের দিকে যাত্রীর সংখ্যা অনেক কমে যায়।