২১ বছরেও নির্ধারিত হয়নি বর্জ্য ফেলার স্থান

প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২১

প্রতিষ্ঠার ২১ বছরেও নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে পারেনি প্রথম শ্রেণিভুক্ত শ্রীপুর পৌরসভা। ময়লা ফেলার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষ ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক এবং আশেপাশের স্থানীয় সড়ক ব্যবহার করে আসছে গত ২১ বছর। ফলে বাড়ছে পরিবেশ দূষণ। পরিবেশবাদী নানা সংগঠন ও এলাকাবাসী এর বিরুদ্ধে সরব হলেও আজও মেলেনি সমাধান।

সরেজমিনে দেখা যায়, গড়গড়িয়া মাস্টার বাড়ি থেকে সামান্য দক্ষিণ দিকে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে প্রায় আধা কিলোমিটারজুড়ে পড়ে আছে ময়লার স্তূপ। পঁচা দুর্গন্ধে পথচারীরা নাকে রুমাল চেপে রাস্তা পার হচ্ছেন। বেশির ভাগ ময়লা পাশের ফসলি জমিতে গিয়ে পড়ছে। পৌরসভার বর্জ্যে ভরাট হয়ে যাচ্ছে লবণদাহ খাল।

পৌরবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন সড়কের পাশে ও খোলা জায়গায় পরিচ্ছন্নকর্মীরা ময়লা ফেলে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে রাতের আঁধারে ফেলা হয়। পিয়ার আলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষক সাজেদুল ইসলাম বলেন, পাথারের ব্রিজের কাছে পৌরসভার বর্জ্য বন্ধ করার জন্য মানুষ বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সড়ক অবরোধ করেও রেখেছে। পৌর মেয়র তখন আশ্বাস দিয়েছিলেন রাস্তার পাশে ময়লা ফেলা হবে না। কিন্তু সে কথার বাস্তবায়ন হয়নি।

জেলার মাওনা চৌরাস্তায় মহাসড়কের পাশে, বিভিন্ন গলির মাঝখানের খালি অংশে ও শ্রীপুর হাসপাতাল সড়কের সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকার দৃশ্যও একই রকম। সবখানেই অপরিকল্পিত ময়লার স্তূপ।

পরিবেশবাদী আন্দোলনের কর্মী সাঈদ চৌধুরী বলেন, ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য পরিকল্পিত কোনো ব্যবস্থা না থাকার কারণে এমন হচ্ছে। পরিকল্পিত বর্জ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা না হলে শহর যেমন অপরিচ্ছন্ন হবে, তেমনি মানুষের শরীরেও নানা রোগ বাসা বাধঁবে।

শ্রীপুর পৌর মেয়র মো. আনিছুর রহমান বলেন, রাস্তার পাশে শুধু পৌরসভার বর্জ্যই ফেলা হয় না। রাতের আঁধারে বিভিন্ন শিল্প কারখানা, বাসা বাড়ি ও বাজারের বর্জ্য এনেও সড়কে ফেলা হচ্ছে। শুধু দোষ আসছে পৌরসভার ওপর।

সমস্যা সমাধানের জন্য দুটি জায়গা নেওয়া হয়েছে। অচিরেই এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি জানান।