কাদের মির্জার অনুসারীদের গুলিবিদ্ধের ঘটনায় ১১০ জনের নামে মামলা

প্রকাশিত: জুন ১, ২০২১

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীদের ওপর গুলির ঘটনায় সেতুমন্ত্রীর দুই ভাগ্নে ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলসহ ১১০ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম মোসলেহ উদ্দিন মিজানের দুই নম্বর আমলি আদালতে মামলাটির ওপর শুনানি করে। শুনানি শেষে বিচারক মামলাটি নোয়াখালী পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোকে (পিবিআই) তদন্তক্রমে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়। এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে ১০টায় আদালতে অভিযোগটি দায়ের করা হয়। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকরা ইউনিয়নের বাসিন্দা কাদের মির্জার অনুসারী দেলোয়ার হোসেন সুজন বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার বাদি পক্ষের আইনজীবী শংকর চন্দ্র ভৌমিক ও সুবির মজুমদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

আইনজীবীরা আরো জানান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র, সেতুমন্ত্রীর ভাগ্নে মাহবুবুর রশিদ মঞ্জুকে প্রধান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে মামলায় দ্বিতীয় আসামি, সেতুমন্ত্রীর ভাগ্নে ফখরুল ইসলাম রাহাতকে তৃতীয় আসামি, চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আরিফকে চতুর্থ আসামিসহ ৮৫ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৯ নস্বর ওয়ার্ডের হড়াইন্নাগো বাড়ির সামনের সড়কে কাদের মির্জার ও প্রতিপক্ষের অনুসারীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় কাদের মির্জার সাত অনুসারী গুলিবিদ্ধ হয় বলে জানা যায়। তবে প্রথমে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছয়জন গুলিবিদ্ধ হয় বলে জানানো হয়। অপরদিকে বিভিন্ন সমাবেশে বক্তৃতাকালে কাদের মির্জা দাবি করেন এই ঘটনায় তার ১৫জন অনুসারী গুলিবিদ্ধ হয়।