বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন নারী

প্রকাশিত: এপ্রিল ২১, ২০২১

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় এক নারীর (২৫) বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সাইদুল ইসলাম (২৮) নামে এক যুবককে অপহরণ করে তুলে নিয়ে গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দুর্গাপুর উপজেলার চন্দ্রকোনা ব্রিজ সংলগ্ন নদীর চরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সাইদুল ইসলামের ভাই আব্দুল আজিজ বাদী হয়ে ওই নারীসহ তার বাবা এবং দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

আহত সাইদুল ইসলাম বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি উপজেলার নলুয়াপাড়া গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

বুধবার (২১ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে দুর্গাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ নূর এ আলম ঢাকা পোস্টকে বলেন, এ ঘটনায় মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নলুয়াপাড়া চায়না মোড়ে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের একটি দোকান রয়েছে সাইদুল ইসলামের। তার দোকানে প্রায়ই বিভিন্ন কাজে আসা-যাওয়া করতেন চন্দ্রকোনা গ্রামের বাসিন্দা ওই নারী। সেই সুবাদে একপর্যায়ে সাইদুলকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ওই নারী। কিন্তু সাইদুল তাতে অসম্মতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ওই নারী।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সাইদুল নলুয়াপাড়া চায়না মোড় এলাকায় ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ওই নারী ফোনে আবারও তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিলে তিনি পুনরায় অসম্মতি জানান। পরে এরই জের ধরে ওইদিন সন্ধ্যায় ওই নারীর লোকজন সাইদুলকে হাত-মুখ বেঁধে অপহরণ করে তুলে নিয়ে যায়। তারা তাকে চন্দ্রকোনা ব্রিজ সংলগ্ন নদীর চরে নিয়ে বাঁধন খুলে দিলে ওই নারী তার সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে সাইদুলের গোপনাঙ্গ কেটে দেয়। এ সময় সাইদুল অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে গেলে মরে গেছে ভেবে ওই নারী ও তার লোকজন পালিয়ে যায়।

একপর্যায়ে সাইদুলের চেতনা ফিরে এলে তিনি তার ভাই আব্দুল আজিজকে ফোন করেন। পরে আব্দুল আজিজ ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আহত সাইদুলকে প্রথমে স্থানীয় দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।