ভর্তি পরীক্ষায় বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট বহালসহ তিন দফা দাবিতে রিট

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২১

আইন আদালত ডেস্কঃ গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট বহালসহ তিন দাবিতে হাইকোর্টে রিট করেছেন ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২৯ মার্চ) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করা হয়।

রিট আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম সোহেল ও ব্যারিস্টার মাহাবুবুর রহমান কিশোর বলেন, বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদন করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে শুনানি হতে পারে।

এর আগে বেশ কিছুদিন থেকে তিন দফা দাবিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের স্মারকলিপি প্রদান এবং জাতীয় প্রেসক্লাব ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ আন্দোলনের পরেও তাদের দাবির বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় রিটটি করা হয় বলে জানান তাদের আইনজীবী।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সেশনে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের কিছু না জানিয়ে হঠাৎ করেই গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রজ্ঞাপন কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না- এ মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে। রুল জারি হলে তা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় বিলম্ব ছাড়াই গুচ্ছ পদ্ধতির পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের তিন দাবি মেনে নেওয়ার আরজি জানানো হয়েছে রিটে।

এতে ইউজিসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়, গুচ্ছ পরীক্ষার আয়োজক কমিটিসহ ২৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বিবাদী করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- (বাংলা, ইংরেজি এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে) বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট বহাল, সিলেকশন বাতিল এবং ভর্তি আবেদন যোগ্যতায় পূর্বের জিপিএ বহাল করতে হবে।

আইনজীবী সাইফুল ইসলাম সোহেল বলেন, তিন দফা দাবি নিয়ে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছেন। কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির যৌক্তিকতা বুঝলেও মেনে নিচ্ছে না। তারা যে পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার কথা বলছেন এতে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীও বঞ্চিত হবেন। এতে সংবিধান অনুযায়ী সুযোগের সমতার লঙ্ঘন হয়েছে।

সাইফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে যৌক্তিকতা তুলে ধরেই রিট আবেদন করা হয়েছে।