মানবেতর জীবন-যাপন মুক্তিযোদ্ধার,পাচ্ছেননা সরকারি সম্মাননা!

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৭, ২০১৯

হাসান মাহমুদ :নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার সাত বাড়িয়া গ্রামের মোঃ ইদ্রিস মিয়ার পুত্র মোঃ ইসমাইল। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে কৃষক মোঃ ইসমাইল মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় কনকিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। ছিলোনিয়া সেনবাগ রাস্তার মাথায় যুদ্ধে অংশ নেন। ক্যাম্পে বেশীরভাগ সময় গ্রাম থেকে চাল ডাল তুলে রান্না করে খাবার তুলে দিতেন ক্ষুধার্ত মুক্তিযুদ্ধাদের মুখে। তৎকালীন ট্রুপস কমান্ডার ছিলেন মোঃ মফিজুর রহমান,সেকশন কমান্ডার ছিলেন মোঃ জয়নাল আবেদীন। ২নং সেক্টর জোনাল কমান্ডার ছিলেন মরহুম রুহুল আমিন ভূইয়া। আজও রয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে রহুল আমিন ভূইয়ার দেওয়া সার্টিফিকেট।যুদ্ধ শেষে কানকিরহাট কেশারপাড় রুহুর আমিন ভূইয়ার নিকট থ্রি নট থ্রি রাইফেল জমা দেন তিনি।তারপর থেকে ক্ষুধা আর দারিদ্র্যতায় কষাঘাতে পাঁচ সদস্যর পরিবার নিয়ে চলে যান রাজধানীর ঢাকায়। শুরু করেন দারোয়ানি এভাবেই খেয়ে না খেয়ে কাটতে জীবন সন্ধি।ঢাকায় থাকার কারণে জেলা পযার্য়ের তালিকায় বাদ পড়ে মোঃ ইসমাইল তার নাম নথিভুক্ত হয়নি।অন-লাইনে আবেদন করলেও ফলাফল শূন্যর কোঠায়।মোঃ ইসমাইল একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এ বিষয়টি নিশ্চিত করে তার সহযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জয়নাল আবেদীন বলেন যুদ্ধের পরে জীবিকার টানে ক্ষুধার্ত বাঙ্গালী অনেকের খোঁজ ছিলো না। ইসমাইল একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তার নাম নথিভুক্ত হওয়া জরুরী। সহযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সাত্তার ও মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বলেন ইসমাইল একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা আমরা সবাই চাই তার সম্মাননা দেওয়া হোক। মোঃ ইসমাইল সরকারি ভাবে সম্মাননা পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন থেকে নিস্তার পেতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণায়লের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছেন পরিবারটি।