স্বাধীনতার ৫০ বছর : সালাউদ্দিনের চোখে সেরা ২ অর্জন

প্রকাশিত: মার্চ ২৬, ২০২১

স্বাধীনতার আগে থেকে বাংলাদেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িত কাজী সালাউদ্দিন। ছিলেন ফুটবলার, পরে কোচ এখন ফেডারেশনের সভাপতি। স্বাধীনতার পর দেশের ফুটবলের প্রায় প্রতিটি বাক খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি।

কাঠমান্ডুতে বসে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশের ফুটবলের সেরা ২ অর্জন বাছাই করতে খুব বেশি সময় নেননি সালাহউদ্দিন, ‘৫০ বছরে ক্রীড়াঙ্গন ও ফুটবলে অনেক অর্জনই রয়েছে। আমার কাছে সেরা ২ অর্জনের প্রথমটি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল। আরেকটি ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এছাড়া নারী ফুটবলের অ-১৬ পর্যায়ে বিশ্বকাপ বাছাই খেলা।’

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল শুধু বাংলাদেশ নয় সারা বিশ্বেই এক ব্যতিক্রম উদাহরণ। দেশের স্বাধীনতার জন্য ফুটবলাররা দল গড়ে লড়াই করার কোনো ঘটনা দ্বিতীয়টি নেই।

বাংলাদেশ ফুটবল দল ১৯৯৯ সালে কাঠমান্ডু সাফ গেমসে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দক্ষিণ এশিয়ার পর্যায়ে সেটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম শিরোপা। ২০১০ সালেও বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এসএ গেমসে। কিন্তু বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ২০০৩ সাফ চ্যাম্পিয়নকে বড় করে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘ভারতকে ফাইনালে হারিয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সেবার। ভারতকে ফাইনালে হারানো সহজ বিষয় নয়।’

স্বাধীনতার ৫০ বছর, মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার মাস সব কিছু এক বিন্দুতে মিলেছে নেপালের ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ দল ট্রফি উপহার দিক সেই প্রত্যাশা সালাউদ্দিনের, ‘আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে এর চেয়ে ভালো উপহার ও উপলক্ষ আর হবে না।’

চ্যাম্পিয়ন হলে ফুটবলাররা ভালো কিছু পাবেন সেই ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন বাফুফে সভাপতি, ‘আমি সবসময় ফুটবলারের দেওয়ার চেষ্টা করি। চ্যাম্পিয়ন হলে অবশ্যই অনেক কিছু দেব।’

কাজী সালাউদ্দিন বাফুফে সভাপতির পাশাপাশি সাফেরও সভাপতি। ওই হিসেবে বাংলাদেশকে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ফাইনালে তুলে দিতে না পারার আক্ষেপ অনেক দিনের। ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলে খানিকটা আক্ষেপ মিটবে তার।