মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের তিন হোতাকে তিন দিনের রিমান্ড আদালতের

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৪, ২০১৯

ঢাবি লাইভঃ ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরও তাঁর সমর্থকদের ওপর হামলার মামলায় গ্রেপ্তারকৃত মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের তিন নেতাকে তিন দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত আজ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।

পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিন আসামি হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের একাংশের নেতা আল মামুন, ইয়াসির আরাফাত ও মেহেদী হাসান।

শাহবাগ থানা-পুলিশ এই তিন আসামিকে ঢাকার আদালতে হাজির করে প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিল।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গত ২২ ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও বুলবুল গ্রুপের ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতা-কর্মী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হন। রাষ্ট্রপতিকে টেলিনরের উকিল নোটিশ পাঠানোর প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতা-কর্মীরা সেখানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

কর্মসূচি শেষে মিছিল নিয়ে মধুর ক্যানটিনে যাওয়ার পথে ডাকসুর সামনে ভিপি নুরুল হকসহ অন্যদের সঙ্গে মঞ্চের নেতা-কর্মীদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। দুই পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি হয়।

এমন অবস্থায় নুরুল তাঁর সহযোগীদের নিয়ে ডাকসু ভবনে ঢোকেন। তখন এই তিন আসামিসহ ৩০ থেকে ৩৫ জন ডাকসু ভবনের ভেতর ঢোকেন। তাঁরা নুরুলসহ অন্যদের লাঠিসোঁটা ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করেন।

এতে ভিপি নুরুল, মামুন, রাশেদ, ফারুক, মেহেদী ও ফারাবীরা গুরুতর আহত হন। একপর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতারা সেখান থেকে চলে যান। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের পাঁচ দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।

পরে আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে তিন আসামির প্রত্যেককে তিন দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।

ডাকসুর ভিপি নুরুলসহ অন্যদের ওপর হামলার ঘটনায় আজ সকালে পুলিশ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করে। মামলায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এর বাইরে অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছেন।