যেভাবে হবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার মূল্যায়ন

প্রকাশিত: মার্চ ১৪, ২০২১

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে এ সংক্রান্ত সমন্বয় কমিটি। নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী ১ এপ্রিল থেকে গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শুরু হবে। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার নির্দেশিকাটি ভর্তির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তিচ্ছুরা ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ভর্তির ওয়েবসাইটে (gstadmission.org) গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। এরপর প্রাথমিক আবেদনের ফলাফল এবং চূড়ান্ত আবেদন শেষে আগামী ১৯, ২৬ জুন ও ৩ জুলাই গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ভর্তির নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, চূড়ান্ত আবেদনের সময় শিক্ষার্থীদের ৩১টি পরীক্ষাকেন্দ্রের মধ্যে ন্যূনতম পাঁচটি কেন্দ্র পছন্দের তালিকায় রাখতে হবে। এইচএসসি/সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবস্থান, এসএসসি ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর, পাসের বছরসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় বিবেচনা করে নিচে উল্লেখ করা পদ্ধতিতে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য একটি কেন্দ্র (নির্ধারণী স্কোর সর্বোচ্চ ১০০ নম্বর) নির্দিষ্ট করা হবে।

কেন্দ্র-নির্ধারণী স্কোর হবে- স্কুল/কলেজের অবস্থান (কেন্দ্র হতে দূরত্ব): ৪০ (সর্বোচ্চ), প্রাপ্ত নম্বর (এসএসসি ও এইচএসসি): ৪০ (সর্বোচ্চ), পাসের বছর (২০১৯-০৫, ২০২০-১০): ১০ (সর্বোচ্চ), ছেলে/মেয়ে (ছেলে-০৫; মেয়ে-১০): ১০ (সর্বোচ্চ)।

ভর্তির নির্দেশিকায় আরও বলা হয়, প্রাপ্ত স্কোর ও কেন্দ্রের পছন্দক্রমের ভিত্তিতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারণ করা হবে। নির্ধারিত পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।

নির্দেশিকার তথ্য মতে, শিক্ষার্থীরা একটি মাত্র ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে উল্লেখিত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাবেন। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে তার এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার বিভাগ (বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্য) সংশ্লিষ্ট একটি মাত্র ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। দুটি পর্যায়ে আবেদন করতে হবে– প্রাথমিক আবেদন ও চূড়ান্ত আবেদন (প্রাথমিক আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত আবেদনের যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হলে)।

যেভাবে হবে মেধার মূল্যায়ন
ভর্তি পরীক্ষার নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে আবেদন করা শিক্ষার্থীরা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুসারে প্রতিটি ইউনিটে চূড়ান্ত আবেদনের জন্য নির্বাচিত হবেন। সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয়টি সর্টিং ক্রাইটেরিয়া ক্রমানুসারে ব্যবহার করে প্রাথমিক আবেদনকারীদের মেধাক্রম প্রস্তুত করা হবে। প্রতিটি ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ দেড় লাখ শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে বলে নির্দেশিকায় বলা হয়।

বিজ্ঞান শাখায় মেধাক্রম প্রস্তুতে ছয়টি সর্টিং ক্রাইটেরিয়ার মধ্যে রয়েছে যথাক্রমে– এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএ; এসএসসি ও এইচএসসির মার্কস; এইচএসসির পদার্থের জিপিএ; এইচএসসির পদার্থের মার্কস; এইচএসসির রসায়নের জিপিএ ও এইচএসসির রসায়নের মার্কস।

এছাড়া বাণিজ্য ও মানবিক শাখায় মেধাক্রম প্রস্তুতে ছয়টি সর্টিং ক্রাইটেরিয়ার মধ্যে রয়েছে যথাক্রমে– এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএ; এসএসসি ও এইচএসসির মার্কস; এইচএসসির বাংলার জিপিএ; এইচএসসির বাংলার মার্কস; এইচএসসির ইংরেজির জিপিএ ও এইচএসসির ইংরেজির মার্কস।