বিএনপির কর্মসূচি মানেই সন্ত্রাস ও সহিংসতা

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২১

বিএনপির কর্মসূচি মানেই সন্ত্রাস ও সহিংসতা ছড়ানো বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শনিবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় বিএনপি অহেতুক রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে বলেও জানান সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনমানুষের সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন আবার সহিংস হয়ে ওঠার অপচেষ্টা করছে।

বিএনপির কাছে নিরপেক্ষ নির্বাচনের অর্থই হচ্ছে তাদেরকে নির্বাচনে জয়যুক্ত করার গ্যারান্টি দেয়া এমন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে বারবার নির্বাচনের কফিনে গণতন্ত্রের লাশ উপহার দিয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, জনমানুষের সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন আবার সহিংস হয়ে ওঠার অপচেষ্টা করছে। কিন্তু জনগণ সচেতন রয়েছে। কর্মসূচিতে সহিংসতার উপাদান যুক্ত হলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরাজ করছে স্থিতিশীলতা, করোনার অভিঘাত কাটিয়ে প্রতিটি খাতে ফিরতে শুরু করছে চাঞ্চল্য বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

বিএনপি নির্বাচনের আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেছিল। সেই ফ্রন্ট ছিলো ক্ষমতা ভাগাভাগির ফ্রন্ট উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পারস্পরিক অবিশ্বাস ও আস্থাহীনতায় কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি, আর একজন আরেকজনকে বহিষ্কারই সে ফ্রন্টের সফলতা ছিল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন আবার তারা জাতীয় ফ্রন্ট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। আসলে বিএনপির নেতৃত্বে মোর্চা গঠন জাতীয় ঐক্যের মুখোশের আড়ালে ক্ষমতা ভাগাভাগির ফ্রন্ট।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকারের নানামুখী উদ্যোগ চলমান রয়েছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের সাম্প্রতিক পট পরিবর্তন এবং এর পরবর্তী পরিস্থিতির ওপর সরকার দৃষ্টি রাখছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতির গভীরতা অনুভব করে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে চলমান তৎপরতা আরও বেগবান করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন বাংলাদেশ আর কতকাল এ বোঝা বহন করবে?

একটি মহল করোনার টিকা নিয়ে এখনো সংশয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তাদের কথা কানে না নেওয়ার আহবান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, টিকার নেতিবাচক কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। তাই সকলকে উৎসাহের সঙ্গে টিকা গ্রহণে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে সভা-সমাবেশ, প্রতিনিধি সভা ও গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করার আহবান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এসব কর্মসূচি পালনে মূল দলের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সহযোগী সংগঠনগুলোকেও ঘোষিত কর্মসূচি পালনের আহ্বান তিনি।