বাঘায় পদ্মার চরে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২১

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মার চরে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হওয়ায় খুশি চাষীরা।

রোববার বাঘা উপজেলার দুর্গম পদ্মার চরের চকরাজাপুর এলাকায় কুয়াশা ভেদ করে শীতের সকালে পেঁয়াজ তুলতে ব্যস্ত বেশ কিছু নারী-পুরুষ। কেউ পেঁয়াজ উঠাচ্ছে, আবার কেউ ছাঁটায়-বাছাই করছে। গত বছর বন্যার পানি নামতে দেরি হওয়ায় দেরিতে রোপণ করতে হয়। কিন্তু চলতি মৌসুমে বন্যার পানি আগে নেমে যাওয়ায় পেঁয়াজ আগাম রোপণ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে পেঁয়াজের বাজারমূল্য ভালো পেয়ে খুশি চাষীরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ৩ হাজার হেক্টর। চাষ হয়েছে সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর। এরমধ্যে অর্ধেকের বেশি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে উপজেলার দুর্গম পদ্মার চরাঞ্চলে। আগাম পেঁয়াজ চাষীরা ভালো ফলন ও বেশি দাম পাচ্ছেন। চরাঞ্চলের পেঁয়াজের গুণগতমান ভালো হওয়ায় বিভিন্ন এলাকা থেকে বাস ও ট্রাকযোগে পেঁয়াজ কিনতে আসেন ব্যবসায়ীরা।
পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর চরের পেঁয়াজ চাষী বাবলু দেওয়ান ও আকছেদ আলী শিকদার জানান, এবার পদ্মার পানি আগে নেমে যাওয়ার কারনে চলতি মৌসুমে আগাম পেঁয়াজ চাষ করে ফলন ভাল হয়েছে। পাশাপাশি দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে।
চকরাজাপুর চরের পেঁয়াজ চাষী গোলাম মোস্তফা জানান, ৫ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছি। প্রথমের দিকে বাজার মূল্য পেয়েছিলাম ৩৫-৪০ টাকা প্রতি কেজি। বর্তমানে ২৫-২৮ টাকায় প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছি।

উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান জানান, এ বছর উপজেলায় সর্বত্রই কম-বেশি পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। উপজেলার সমতল এলাকায় যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপন্ন হয় তার চেয়ে বেশি হয় পদ্মার চরে। তবে পেঁয়াজ চাষীদের সবসময় পরামর্শ দেয়া হয়।